rangapahar
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৩০ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

সন্তানকে দানের পরও সম্পত্তিতে বাবা-মার অধিকার, আইন পাস

সন্তানকে সম্পত্তি দান করার পরও আজীবন বাবা-মার ভোগ-দখল করার অধিকার নিয়ে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সংসদ অধিবেশনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন।পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

বিলে বলা হয়েছে, পিতা-মাতা বা পিতামহ/মাতামহ কর্তৃক তার সন্তান বা নাতি-নাতনিকে (অথবা বিপরীতক্রমে) অথবা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পত্তি দান করার পর দাতা নিজে জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তি ভোগ করতে পারবেন। দাতার জীবদ্দশায় গ্রহীতার মৃত্যু হলে সম্পত্তির ভোগাধিকার থাকবে এবং আইন অনুযায়ী সম্পত্তি গ্রহীতার ওয়ারিশদের নিকট স্থানান্তরিত হবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে আইনমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান আইনে সম্পত্তি হস্তান্তরের পদ্ধতি সম্পর্কে বিধান থাকলেও দাতার জীবনকাল পর্যন্ত সম্পত্তির ভোগাধিকার সংরক্ষণ করে দান করার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই।

প্রস্তাবিত জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণপূর্বক দান হবে সম্পত্তি হস্তান্তরে একটি স্বতন্ত্র পদ্ধতি। এই বিধান সব ধর্মাবলম্বীর ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হবে। এর ফলে প্রচলিত সাধারণ দান, মুসলিম আইনের অধীন হেবা বা আইন দ্বারা স্বীকৃত অন্য কোনো প্রকার সম্পত্তি হস্তান্তরের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না বা সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি করবে না। তবে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী উল্লেখ করে এটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও সংসদ সদস্যরা। এই বিলের ওপরে ভোটে অংশ নেয়নি বিরোধী দল।

শফিকুর রহমান বলেন, আমার প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কি কোরআনের মূল নীতিকে রাখব নাকি বাদ দেব? আমাদের কী বাদ দেওয়ার কোনো অধিকার আছে? আমি বিশ্বাস করি, এটি খুবই সংবেদনশীল একটা বিষয়। বেশ কিছু বিষয় উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, আইনের সঙ্গে বেশ কিছু বিষয় সম্পৃক্ত নেই ফলে সরাসরি সাংঘর্ষিক হচ্ছে।

পরে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, এটা খুবই পরিষ্কার যে, এই আইনের অধীনে সম্পত্তি হস্তান্তর বা দান করা হলে কোনোভাবেই সেটি হেবা, অছিয়ত বা অন্য কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরকে প্রভাবিত করবে না। অসহায়, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের পাশে থাকার জন্যই এই আইন। পরে স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদ এই বিলের প্রস্তাবে ভোট করেন। এ সময় সংসদ কক্ষ থেকে বের হয়ে যান বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।

Facebook Comments Box
১ম লাইন রঙ
২য় লাইন রঙ
ফন্ট সাইজ (65px)

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মদ বিক্রিতে রেকর্ড, কেরুর ডিস্টিলারি ইউনিটের মুনাফা ২০০ কোটি টাকা ছাড়াল

খাগড়াছড়ির জিপ লাইন-জায়েন্ট সুইংয়ে নতুন আকর্ষণ, বাড়ছে পর্যটক

জুরাছড়িতে ২২ জনকে মেশিন মেরামতের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সেনাবাহিনী

রাতে ঘুমানোর আগে ৮ আমল, মিলবে প্রশান্তি

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া এমপি

কাপ্তাই টু চট্টগ্রাম সড়ক,পাইলিং জটিলতায় থমকে আছে ব্যাঙছড়ি সেতুর নির্মাণ কাজ

রাঙ্গামাটির কাউখালীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

কাপ্তাইয়ের প্রথম নারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট মেসুই হ্লা মারমা, জেলা দায়রা জজ আদালতে কর্মজীবন শুরু

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০০ শিক্ষককে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

স্বাস্থ্য খাতে ১ লাখ কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ, শুরু হচ্ছে প্রথম ধাপের প্রক্রিয়া

১০

চিরুনি পরিষ্কার না করলে চুলেই ফিরবে তেল ও জীবাণু

১১

পাঁচ দফা দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে যবিপ্রবির এক শিক্ষার্থীর অবস্থান

১২

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালুর নির্দেশ

১৩

লংমার্চের নামে বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে : রিজভী

১৪

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজসহ ছয় জাহাজে হামলা বিপ্লবী গার্ডের

১৫

পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়কে এক কাতারে এনে মহালছড়িতে সম্প্রীতি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

১৬

খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী আরমান গ্রেপ্তার

১৭

রামগড়ে বাড়ির পাশে পুকুরে পড়ে ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু

১৮

টেকনাফে এক কোটি টাকার ইয়াবাসহ তিনজন আটক

১৯

বাংলাদেশ সীমান্তে ৮০৫ কিমি কাঁটাতারের বেড়া দিল ত্রিপুরা

২০
শিরোনামঃ
মদ বিক্রিতে রেকর্ড, কেরুর ডিস্টিলারি ইউনিটের মুনাফা ২০০ কোটি টাকা ছাড়ালখাগড়াছড়ির জিপ লাইন-জায়েন্ট সুইংয়ে নতুন আকর্ষণ, বাড়ছে পর্যটকজুরাছড়িতে ২২ জনকে মেশিন মেরামতের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সেনাবাহিনীরাতে ঘুমানোর আগে ৮ আমল, মিলবে প্রশান্তিপার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া এমপিকাপ্তাই টু চট্টগ্রাম সড়ক,পাইলিং জটিলতায় থমকে আছে ব্যাঙছড়ি সেতুর নির্মাণ কাজরাঙ্গামাটির কাউখালীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভাকাপ্তাইয়ের প্রথম নারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট মেসুই হ্লা মারমা, জেলা দায়রা জজ আদালতে কর্মজীবন শুরুবিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০০ শিক্ষককে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রীস্বাস্থ্য খাতে ১ লাখ কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ, শুরু হচ্ছে প্রথম ধাপের প্রক্রিয়া