ব্রাজিলে নেইমার যুগ শেষ। তার অবসর ও বিশ্বকাপ ব্যর্থতা ভুলে নতুন যুগের ডাক দিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।তবে শুরুটা ভালো হয়নি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যে কোনোরকমে হার এড়াতে পেরেছে সেলেসাওরা।
কুইন্সল্যান্ড কান্ট্রি ব্যাংক স্টেডিয়ামে দুই দলের প্রথম প্রীতি ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। শেষ মুহূর্তে ৫ বারের বিশ্বকাপজয়ীদের সমতায় ফেরান রায়ান।ম্যাচের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে রাফিনিয়ার কর্নার থেকে হেডে গোলটি করেন বদলি নামা রায়ান। তাতে ২৫ বছর ধরে ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় না পাওয়ার অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হয় অস্ট্রেলিয়ার। সর্বশেষ ২০০১ সালে ব্রাজিলকে হারিয়েছিল তারা। ফিফা কনফেডারেশন কাপে সেলেসাওদের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানের জয়টি ছিল তাদের একমাত্র জয়।সবমিলিয়ে ৯ বারের দেখায় ৬ বার জিতেছে ব্রাজিল। আজকেরটিসহ দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
ম্যাচের ৬৮ মিনিটে নেস্টরি ইরানকুন্ডার দৃষ্টিনন্দন এক ফ্রি কিকে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল অস্ট্রেলিয়া। অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের চোখ-ধাঁধানো ফ্রি কিকটির মতোই গোল উদযাপনটিও ছিল দেখার মতো। ব্রাজিলের মানব দেওয়াল টপকিয়ে গোলটি করার পর শূন্যে ডিগবাজি দেন ইরানকুন্ডা।এরপর একে একে অন্য সতীর্থরা এসে তার উদযাপনে সঙ্গী হন। ম্যাচে জোড়া গোল পেতে পারতেন ইরানকুন্ডা। ম্যাচ শুরু হওয়ার পর সপ্তম মিনিট দারুণ এক শট নিয়েছিলেন তিনি। তবে দারুণ ক্ষিপ্রতায় প্রতিহত করেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক হুগো সুজা। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বীচ রাফিনিয়া-ভিনিসিয়ুস-ব্রুনো গিমারেসের শট ঠেকিয়ে দেন।
বিরতিতে যাওয়ার আগে অবশ্য গোল হজম করেছিল অস্ট্রেলিয়া। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এন্দ্রিকের অ্যাসিস্টে গোলটি করেছিলেন এস্তেভাও। গোল করার পর সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনও সারলেন তিনি। তবে কয়েক মিনিট পরেই চেলসির ফরোয়ার্ডকে হতাশ হতে হলো।
ভিএআরের সহায়তা গোল বাতিল করেন রেফারি। এস্তেভাও গোল দেওয়ার আগে গিমারেস প্রতিপক্ষের একজন খেলোয়াড়কে ফাউল করায় লিড পাওয়া হয়নি ব্রাজিলের। আর ৬৩ মিনিটে রাফিনিয়ার এক শট অল্পের জন্য গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে যায়।
পরে ইরানকুন্ডার গোলে যখন জয় উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া ঠিক সেই মুহূর্তে রায়ানের হেড ব্রাজিলকে এনে দেয় স্বস্তি।
মন্তব্য করুন