অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করে জুম চাষ করেও নানা কারণে চলতি মৌসুমে আশানুরূপ ফলন পাননি স্থানীয় জুমিয়ারা। তাদের অভিযোগ, সময়মতো কৃষি বিভাগের সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাওয়া গেলে জুমে আরও ভালো ফলন উৎপাদন করা সম্ভব হতো।
জুমিয়ারা জানান, জুম চাষে সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে পানির সংকট। পাশাপাশি উন্নত জাতের বীজ, সার ও কীটনাশকের পর্যাপ্ত ব্যবহার না করায় কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া সম্ভব হয়নি।
তাদের দাবি, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জুম চাষের আধুনিক পদ্ধতি, উন্নত জাতের ধান বীজ নির্বাচন, রোগবালাই দমন ও ফসলের পরিচর্যা বিষয়ে সময়মতো পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হলে উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব।
জুমিয়ারা আরও বলেন, অধিকাংশ জুমিয়া পরিবারই দরিদ্র ও অসচ্ছল। নিজেদের অর্থে উন্নত বীজ, সার, কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ কেনার সামর্থ্য তাদের নেই। তাই জুম চাষিদের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও মাঠপর্যায়ে সহযোগিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জুমিয়ারা।
মন্তব্য করুন